Sunday, September 25, 2011

উমরা আদায়ের পদ্ধতি


­­­­السلام عليكم
দৈনন্দিন পথনির্দেশিকা
উমরা আদায়ের পদ্ধতি


এহরাম পরা অবস্থায়  তালবিয়া পড়ে-পড়ে পবিত্র কাবার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হোন। পবিত্র কাবার চার পাশে দাঁড়িয়ে আছে মসজিদুল হারামের উঁচু বিল্ডিং। এ বিল্ডিংটির যে কোনো দরজা দিয়ে মসজিদুল হারামে প্রবেশ করুন। প্রথমে ডান পা এগিয়ে দিন। আল্লাহ যেন আপনার জন্য তাঁর রহমতের সকল দরজা খুলে দেন সে আকুতি নিয়ে মসজিদে প্রবেশের দোয়াটি পড়ন। সম্ভব হলে নীচের দোয়াটি পড়ুন।

بِسْمِ اللهِ وَالصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ عَلى رَسُوْلِ اللهِ ، اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِيْ ذُنُوْبِيْ، وَافْتَحْ لِيْ أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ.

উচ্চারণ: বিসমিল্লাহ ওয়াস্সালাতু ওয়াস্সালামু আলা রাসূলিল্লাহ, আল্লাহুম্মাগফির লি যুনুবি ওয়াফতাহ লি আবওয়াবা রাহমাতিক্।
অর্থ: আল্লাহর নামে আরম্ভ করছি। সালাত ও সালাম রাসূলুল্লাহ () এর ওপর। হে আল্লাহ আপনি আমার জন্য আপনার রহমতের সকল দরজা উন্মুক্ত করে দিন।

এরপর আপনার কাজ হবে তাওয়াফ শুরু করা। বায়তুল্লাহ শরীফ দেখামাত্র দুহাত উঠানোর ব্যাপারে যে একটি কথা আছে তা সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত নয়।  তবে বায়তুল্লাহ শরীফ দৃষ্টির আওতায় এলে দোয়া করার অনুমতি রয়েছে। ওমর () যখন বায়তুল্লাহর দিকে তাকাতেন তখন নীচের দোয়াটি পড়তেন

اللّهُمَّ أنْتَ السَّلامُ وَمِنْكَ السَّلامُ فَحَيِّنَا رَبَّنَا بِالسَّلامِ

যথার্থভাবে তাওয়াফ সম্পন্ন করার জন্য নিম্নেবর্ণিত বিষয়গুলোর প্রতি নজর রাখুন
১.       ছোট-বড় সকল প্রকার নাপাকি থেকে পবিত্র হয়ে তাওয়াফ করা।
২.       তাওয়াফের শুরুতে মনে মনে নিয়ত করা। এ ক্ষেত্রে সাধারণভাবে মনে মনে প্রতিজ্ঞা করলেই চলবে। বিভিন্ন পুস্তকে তাওয়াফের যে নিয়ত লেখা আছে তা হাদিস দ্বারা প্রমাণিত নয়।
৩.      সতর ঢাকা অবস্থায় তাওয়াফ করা।
৪.       হাজরে আসওয়াদ ইস্তিলাম (চুম্বন-স্পর্শ) অথবা ইশারা করে তাওয়াফ শুরু করা এবং হাজরে আসওয়াদ বরাবর এসে তাওয়াফ শেষ করা।
৫.      হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করতে না পারলে হাজরে আসওয়াদের দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে শুধুমাত্র ডান হাত উঠিয়ে ইশারা করা ও بِسْمِ اللهِ اللهُ أَكْبَرُ বলা।
৬.       হাতিমের বাইরে দিয়ে তাওয়াফ করা।
৭.      হাজরে আসওয়াদ ও রুকনে য়ামানি ব্যতীত কাবার অন্য কোনো অংশ তাওয়াফের সময় স্পর্শ না করা। হাঁ, তাওয়াফ শেষ হলে বা অন্য কোনো সময় মুলতাযামের জায়গায় হাত-বাহু-গণ্ডদেশ ও বক্ষ রাখা যেতে পারে।
৮.      মাকামে ইব্রাহীম স্পর্শ না করা।
৯.       পুরুষদের ক্ষেত্রে যথাসম্ভব পবিত্র কাবার কাছ দিয়ে তাওয়াফ করা।
১০.     নারীদের ক্ষেত্রে পুরুষদের থেকে একপাশ হয়ে তাওয়াফ করা।
১১.     খুশুখুজুর সাথে তাওয়াফ করা ও অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা না বলা।
১২.     রুকনে য়ামানি ও হাজরে আসওয়াদের মাঝে
 رَبَّنَا آَتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآَخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
-এই দোয়া পড়া।
১৩.     প্রত্যেক তাওয়াফে ভিন্ন ভিন্ন দোয়া আছে এরূপ বিশ্বাস না করা।
১৪.     সাত চক্করে তাওয়াফ শেষ করা।
১৫.     তাওয়াফ করার সময় নারীদের স্পর্শ থেকে যথাসম্ভব বেঁচে থাকা।
১৬.     তাওয়াফ শেষে মাকামে ইব্রাহীমের পিছনে দুরাকাত সালাত আদায় করা। জায়গা না পেলে অন্য কোথাও আদায় করা।
১৭.     সালাত শেষে যমযমের পানি পান করা ও মাথায় ঢালা।
লেখক  মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক


be Organized by Holy Islam 
O.H.I 
For More Visit:

Saturday, September 24, 2011

ওমরার আমলসমূহ


السلام عليكم
দৈনন্দিন পথনির্দেশিকা
ওমরার আমলসমূহ

১- ইহরাম
২. তাওয়াফ
৩. সাঈ
৪. চুল মুণ্ডানো বা ছোট করা

প্রথমত: ইহরাম

১. ভালভাবে গোসল করে নিন এবং সম্ভব হলে সুগন্ধি মাখুন। এরপর স্বাভাবিক পোশাক ছেড়ে ইহরামের নির্ধারিত দুটুকরো কাপড় পরে নিন। পুরুষদেরকে মাথা উন্মুক্ত রাখতে হবে। আর নারী হজযাত্রীগণ নিজ স্বাভাবিক পোশাক পরেই ইহরাম বাঁধুন। হাত মোজা পরিধান করে হাত ঢেকে রাখবেন না। অন্য পুরুষ দেখতে পায় এমন অবস্থায় উপনীত হলে মাথায় রাখা ওড়না দিয়ে চেহারা আড়াল করুন।

২. মীকাতে পৌঁছে কেবলা মুখী হয়ে দাঁড়িয়ে বলুন। (لبيك اللهم بعمرة) (তবে মীকাতের আগেও এর মাধ্যমে নিয়ত করা যায়) কোনোরূপ বাধা বা প্রতিবন্ধকতার আশঙ্কা করলে শর্ত আরোপ করে বলতে পারেন, (اللهم محلي حيث حبستني) অর্থাৎ হে আল্লাহ তুমি যেখানে আমাকে আটকে দেবে সেটিই আমার হালাল হবার স্থান। যদি বাস্তবিকই কোনো প্রতিবন্ধকতা এসে পড়ে তাহলে ওমরা পালন না করেই সেস্থানে ইহরাম থেকে হালাল হয়ে যেতে পারবেন। তার জন্য  দম, ফিদিয়া কিছুই আদায় করতে হবে না।

৩. উচ্চস্বরে তালবিয়া পাঠ করুন, বলুন-  
( لبيك اللهم لبيك ، لبيك لا شريك لك لبيك ، إن الحمد والنعمة لك والملك لا شريك لك )
আমি হাজির, হে আল্লাহ আমি হাজির, আমি হাজির তোমার কোনো শরিক নেই আমি হাজির, নিশ্চয় সকল প্রশংসা ও যাবতীয় নিয়ামত তোমার এবং রাজত্বও, তোমার কোনো শরিক নেই।

ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ:

দৈহিক মেলামেশা ও যৌন স্পর্শ আছে এমন যাবতীয় কাজ। যে কোনো ধরনের পাপ। ঝগড়া-বিবাদ। অহেতুক ও নিষিদ্ধ বিতর্ক। পুরুষদের জন্য সেলাইযুক্ত পোশাক ও চেহারা-মাথা ঢেকে রাখা। সুগন্ধি ব্যবহার করা ( পূর্বে লাগানো সুগন্ধি নাকে আসলে সমস্যা নেই)। মাথার চুল ও শরীরের অন্যান্য পশম মুণ্ডন করা, ছাঁটা ও উপড়ে ফেলা । নখ কাটা বা উপড়ে ফেলা। স্থলজ প্রাণী শিকার করা। বিবাহের প্রস্তাব দেয়া ও বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া।

ইহরাম অবস্থায় বৈধ কাজসমূহ:

গোসল করা, মাথা-শরীর মুড়ানোতেও কোনো অসুবিধা নেই। শরীর-মাথা চুলকানো ও চুল আচড়ানো, এ কারণে দুয়েকটি চুল কিংবা পশম পড়ে গেলেও সমস্যা নেই। সিংগা লাগানো। (চলাচলে অসুবিধার সৃষ্টি করে এমন) ভাঙ্গা নখ কেটে ফেলা। দাঁত উপড়ানো। তাঁবু, ঘরের ছাদ, গাছ-পালা কিংবা ছাতা ইত্যাদি দ্বারা ছায়া গ্রহণ করা, তবে শর্ত হচ্ছে এগুলো মাথার সাথে লাগানো যাবে না। ইজার তথা নিচে পরিহিত চাদর বেল্ট দ্বারা বাঁধা, প্রয়োজন হলে গিট্টুও দেয়া যাবে। চপ্পল পরিধান করা। আংটি, হাত ঘড়ি ও চশমা ব্যবহার করা। ইহরামের কাপড় ধোয়া ও পরিবর্তন করা। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন,
( يُرِيدُ اللَّهُ بِكُمُ الْيُسْرَ وَلا يُرِيدُ بِكُمُ الْعُسْرَ)
আল্লাহ তোমাদের সাথে সহজ করতে চান, তিনি তোমাদের সাথে কঠিন করতে চান না।

দ্বিতীয়ত: তাওয়াফ

১. মক্কা পৌঁছে তালবিয়া পাঠ বন্ধ করে দিন। ওজু করুন। অত:পর মসজিদে হারামে প্রবেশ কালে নির্ধারিত দোয়া পাঠ করুন,বলুন:  ( اللهم صل على محمد اللهم أفتح لي أبواب رحمتك)এবং ডান পা দিয়ে প্রবেশ করুন। কাবা শরিফ পরিদৃষ্ট হলে দুহাত তুলে ইচ্ছে মত দোয়া করতে পারেন অথবা এই দোয়াটি পাঠ করুন- ( اللهم أنت السلام ومنك السلام فحينا ربنا بالسلام)

২. পবিত্র কাবার চার পাশে সাত বার প্রদক্ষিণ করে তাওয়াফ সম্পন্ন করুন। এটি আপনার ওমরার তাওয়াফের সাথে সাথে তাওয়াফে কুদূমও বটে, তাই প্রথম তিন পাকে ছোট ছোট কদম ফেলে ইসৎ দ্রুত চলে রমল করুন এবং পুরো তাওয়াফে ডান কাঁধ উন্মুক্ত রেখে ইজতেবা করুন। রমল আর ইজতেবা এই প্রথম তাওয়াফেই চলবে অন্য কোনো তাওয়াফে নয়। তাওয়াফ হাজরে আসওয়াদ থেকে শুরু হবে। আল্লাহু আকবার বলে তিনভাবে শুরু করতে পারেন আপনি তাওয়াফ। সরাসরি হাজরে আসওয়াদকে চুম্বন করে অথবা হাত বা অন্য কিছু দ্বারা স্পর্শ করে তাতে চুমু খেয়ে। ভিড়ের কারণে এ দুটো সম্ভব না হলে দূর হতে ডান হাত তুলে ইশারা করে। হাজরে আসওয়াদ চুম্বন করতে গিয়ে এবং সেখানে অবস্থান করে অযথা ভিড় বাড়াবেন না, এতে অপর লোকের কষ্ট হবে। তাওয়াফের সময় সম্ভব হলে রুকনে য়ামানি স্পর্শ করুন। রুকনে য়ামানিকে চুম্বন করার কোনো বিধান নেই। অনুরূপ স্পর্শ করা সম্ভব না হলে দূর হতে ইশারা করারও বিধান নেই। তাওয়াফ অবস্থায় মনের আকুতি ব্যক্ত করে অনুচ্চ স্বরে যে কোনো দোয়া করতে পারেন। জিকিরও করা যায়। আওয়াজ উঁচু করে অপরের নিমগ্নতায় বিঘ্নতা সৃষ্টির কোনো অনুমতি নেই। একইভাবে দলবদ্ধভাবে সম্মিলিত দোয়ারও অনুমোদন নেই। কোনো চক্করের জন্য নির্দিষ্ট কোনো দোয়াও নেই। তবে রুকনে য়ামানি ও হাজরে আসওয়াদের মধ্যবর্তী স্থানে পাঠ করার দোয়াটি হাদিস দ্বারা সমর্থিত। সেখানে পাঠ করুন- ( ربنا آتنا في الدنيا حسنة وفي الآخرة حسنة ، وقنا عذاب النار)

৩. তাওয়াফ শেষ করে ডান কাঁধ ঢেকে ফেলুন। এবং মাকামে ইবরাহীমের পেছনে চলে যান আর পড়ুন (وَاتَّخِذُوا مِنْ مَقَامِ إِبْرَاهِيمَ مُصَلّىً) । অত:পর দুরাকাত সালাত আদায় করুন। প্রথম রাকাতে সূরা ফাতেহার পর সূরা কাফিরুন আর দ্বিতীয় রাকাতে সূরা ইখলাস পাঠ করুন। মাকামে ইবরাহীমের পেছনে সম্ভব না হলে মসজিদুল হারামের যে কোনো জায়গায় উক্ত সালাত আদায় করতে পারেন। অনুরূপভাবে উক্ত সূরাদ্বয় জানা না থাকলে যে কোনো সূরা দিয়ে আদায় করা যায়।

৪. সালাত শেষ করে জমজমের পানি পান করুন এবং কিছু পানি মাথার উপর ঢেলে দিন। এরপর হাজরে আসওয়াদের নিকট ফিরে আসুন। সম্ভব হলে আল্লাহু আকবার বলে চুমু খান। না হলে দূর হতে ডান হাত দ্বারা ইশারা করুন।

তৃতীয়ত: সাঈ

১. সাফার দিকে অগ্রসর হোন। পাহাড়ের কাছাকাছি পৌঁছলে পাঠ করুন-
(إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ)  (أبدأ بما بدأ الله به )
সাফায় আরোহন করে সম্ভব হলে কাবার দিকে তাকান। কেবলামুখী হয়ে দাঁড়িয়ে তাকবির, তাহলিল ও দোয়া করুন। বলুন-
الله أكبر الله أكبر الله أكبر، لا إله إلا الله وحده لا شريك له ، له الملك وله الحمد وهو على كل شئ قدير . لا إله إلا الله وحده ، أنجز وعده ونصر عبده ، وهزم الأحزاب وحده
এরপর হাত উঠিয়ে দোয়া করুন। এরূপ পর পর তিন বার করুন।

২. দোয়া শেষ করে সামান্য ডান দিকে সরে গিয়ে মারওয়া পানে অগ্রসর হোন। চলার গতি থাকবে স্বাভাবিক। সবুজ দুই আলামতের মাঝের জায়গা একটু দ্রুত অতিক্রম করুন। আর মুখে- ( رب أغفر وأرحم ، إنك أنت الأعز الأكرم)  দোয়াটি পাঠ করতে পারলে খুবই ভাল।

৩. মারওয়ায় পৌঁছে কেবলামুখী হয়ে দাঁড়িয়ে সাফার ন্যায় তাকবির, তাহলিল ও দোয়া তিন তিনবার করে পাঠ করুন।

৪. এভাবে সাত সাঈ সম্পন্ন করুন। সাফা থেকে মারওয়া পর্যন্ত এক সাঈ আবার মারওয়া থেকে সাফায় ফিরে আসলে দ্বিতীয় সাঈ। সাফা থেকে শুরু হবে আর শেষ হবে মারওয়ায় ।
সাঈ শেষ করে হারাম থেকে বের হয়ে আসুন। বাম পা দিয়ে মসজিদ হতে বের হোন এবং পাঠ করুন-    ( اللهم صل على محمد اللهم إني أسألك من فضلك) .

চতুর্থত: মাথা মুণ্ডন

১. (হারাম থেকে বের হয়ে) সমস্ত মাথা মুণ্ডন করুন-এটিই উত্তম। কিংবা চুল ছোট করুন। বিশেষ করে হজ্জের সময় যদি অতি সন্নিকটে হয়। নারী হজ্জকারীগণ সর্বাবস্থায় চুল কর্তন করবেন। চুলের গোছা একত্রিত করে মাথা হতে আঙ্গুলের এক কড়া পরিমাণ চুল কেটে নেওয়া হবে।
এরই সাথে আপনার ওমরার কাজ সম্পন্ন হয়ে গেল। স্বাভাবিক পোশাক পরে নিন। ইহরামের কারণে যে সব বিষয় হারাম হয়ে গিয়েছিল এখন থেকে আপনার জন্য সবই হালাল।
স্মর্তব্য: যিনি ইফরাদ কিংবা কেরান হজ্জের ইহরাম বেঁধে এসেছেন তিনিও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরামর্শ-নির্দেশ মেনে নিয়ে মাথা মুণ্ডন বা চুল ছেটে হালাল হয়ে যান। নবীজী বলেছেন,
( فمن كان منكم ليس معه هدي فليحل وليجعلها عمرة)
অর্থাৎ, তোমাদের যার সাথে হাদি নেই সে যেন হালাল হয়ে যায় এবং তাকে ওমরায় পরিণত করে নেয়।

be Organized by Holy Islam 
O.H.I 
For More Visit:

বই পড়ুনঃ http://ohilibrary.blogspot.com

Monday, September 19, 2011

সোমবারের সাওম


السلام عليكم
দৈনন্দিন পথনির্দেশিকা

সোমবারের সাওম



সোমবারের সাওম সম্পর্কে তিনি (সা) বলেন:
ِ
ওটা এমন দিন যেদিন আমার জন্ম হয়েছেএবং যেদিন আমাকে পাঠানো বা আমার প্রতি নাযিল করা হয়েছে।


মুসলিম(১১৬২)

be Organized by Holy Islam 
O.H.I 
For More Visit:

বই পড়ুনঃ http://ohilibrary.blogspot.com

Saturday, September 17, 2011

হজ্জ ও উমরা উভয়টি দারিদ্রতা ও পাপরাশিকে দূরীভূত করে


السلام عليكم

দৈনন্দিন পথনির্দেশিকা


হজ্জ ও উমরা উভয়টি দারিদ্রতা ও পাপরাশিকে দূরীভূত করে



عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ -صلى الله عليه وسلم-تَابِعُوا بَيْنَ الْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ فَإِنَّهُمَا يَنْفِيَانِ الْفَقْرَ وَالذُّنُوبَ كَمَا يَنْفِي الْكِيرُ خَبَثَ الْحَدِيدِ وَالذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ وَلَيْسَ لِلْحَجَّةِ الْمَبْرُورَةِ ثَوَابٌ إِلاَّ الْجَنَّةُ

আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

তোমরা হজ্জ ও উমরা পালন কর। কেননা হজ্জ ও উমরা উভয়টি দারিদ্রতা ও পাপরাশিকে দূরীভূত করে যেমনিভাবে রেত স্বর্ণরৌপ্য ও লোহার মরিচা দূর করে দেয়। আর মাবরূর হজ্জের বদলা হল জান্নাত।

(তিরমিযী ৮১০)            



be Organized by Holy Islam 
O.H.I 
For More Visit:

বই পড়ুনঃ http://ohilibrary.blogspot.com

Wednesday, September 14, 2011

সোম ও বৃহস্পতিবারের সাওম


السلام عليكم

দৈনন্দিন পথনির্দেশিকা


সোম ও বৃহস্পতিবারের সাওম



সোমবার ও বৃহস্পতিবারের সাওমের বিশেষ ফযীলত রয়েছে। হাদীসে বর্ণিত:

তিনি রাসুল (সা) সোম ও বৃহস্পতিবারের সাওম পালনে সচেষ্ট থাকতেন।

 (আহমদ, ইবনে মাজাহ। আরনাউত ও আলবানীর মতে সহীহ।)


এবং এ সম্পর্কে তিনি রাসুল (সা) বলেন:

প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবারে আমলসমূহ প্রদর্শিত হয়, অত:পর আল্লাহ সকল মুসলিম বা সকল মুমিনকে ক্ষমা করেন কেবল পরস্পর সম্পর্ক ছিন্নকারী দুজন ছাড়া, [আল্লাহ পাক] বলেন: তাদের দুজনের ব্যাপারে বিলম্ব কর।

(আহমদ ও অন্যান্য। আরনাউত ও আলবানীর মতে সহীহ।)  

be Organized by Holy Islam 
O.H.I 
For More Visit:

বই পড়ুনঃ http://ohilibrary.blogspot.com