Monday, December 15, 2008

জনপ্রতিনিধির বত্তৃতা নমুনা-২

السلام عليكم

দৈনন্দিন পথনির্দেশিকা

জনপ্রতিনিধির বত্তৃতা নমুনা-২


দ্বিতীয় খলিফা হযরত উমর (রা) খলিফা নিযুক্ত হবার পর জাতির উদ্দেশ্যে প্রদত্ত ভাষণে বলেছিলেন-

মুসলিম জনতা! আল্লাহ তোমাদের ও আমাকে এক সাথে শামিল করে দিয়েছেন। আর আমার প্রাক্তন দুই সঙ্গীর পর আমাকে জীবিত ও অবশিষ্ট রেখেছেন।

আল্লাহর শপথ, আমার সন্মুখে যে সকল ব্যাপার উপস্থাপিত হবে, তা সবই আমি মীমাংসা করব। আর যা কিছু আমার অগোচরে থেকে যাবে, সেই বিষয়ে আমি পূর্ণ দায়িত্বজ্ঞান ও আল্লাহর ভয় সহকারে চেষ্টা করব।

বস্তুতঃ লোকেরা যদি আমার প্রতি ইহসান ও কল্যাণের আচরণ গ্রহণ করে, আমিও তাদের সাথে অনুরুপ ব্যবহারই করব। কিন্তু যদি কেউ খারাপ ও অবাঞ্চনীয় আচরণ অবলম্বন করে, তাহলে আমিও তাকে কঠোর শাস্তি দান করব।


(তথ্যসুত্র- খিলাফতে রাশিদা: মাওলানা আবদূর রাহীম)

Details in English


Bangla reading problem:

If you can't see the writing go to your browser view option and select encoding Unicode (UTF-8)


Then if you
can't see bangle correctly you just download the vrinda.ttf from this below link

and go to your control panel, open fonts folder and paste the font in it then refresh the page.


be Organized by Holy Islam

O.H.I


Saturday, December 13, 2008

বিদায় হজ্জের ভাষণ

السلام عليكم


দৈনন্দিন পথনির্দেশিকা

বিদায় হজ্জের ভাষণ


বিদায় হজ্জে রাসুলুল্লাহ (সা.) আরাফাতে অবস্থানকালে প্রায় ১,২৪,০০০ মতান্তরে ১,৪৪,০০০ লোকের বিশাল জন সমুদ্রের কাছে উদ্দেশ্যে এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন । তিনি বলেন,

হে লোক সকল,আমার কথা শোনো, আমি জানি না, এবারের পর তোমাদের সাথে এই জায়গায় আর মিলিত হতে পারব কিনা।

আমার পর আর কোন নবী আসবে না। তোমাদের পরও কোন উন্মত জন্ম নেবে না। সুতরাং মনোযোগ দিয়ে শোন এবং আপন প্রতিপালকের দাসত্ব কর। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবে। রমজানের রোযা রাখবে। সানন্দ চিত্তে নিজের ধন-সম্পদের যাকাত দিবে। নিজ পরওয়ারদেগারের ঘরে হজ্জ করবে। আপন নেতা ও দায়িত্বশীলদের আনুগত্য কর, যাতে তোমরা আল্লাহর জান্নাতে যেতে পারো।

তোমাদের রক্ত এবং ধন- সম্পদ পরস্পরের জন্যে আজকের দিন, বর্তমান মাস এবং বর্তমান শহরের মত নিষিদ্ধ।

শোনো, জাহেলিয়াতের সময়ের সবকিছু আমার পদতলে পিষ্ট করা হয়েছে। জাহেলিয়াতের খুনও খতম করা হয়েছে। সর্বপ্রথম আমি আমের বিন রবীয়ার খুনের দাবী রহিত করলাম। জাহিলিয়াত যুগের সমস্ত পদ পদবী ও সন্মান বাতিল করা হল। কেবল কাবা শরীফের তত্ত্বাবধায়কের পদ ও হাজীদের পানি সরবারহের পদ- এই দুটি পদ বহাল থাকবে।

জাহিলিয়াত যুগের সমস্ত সুদগুলো বাতিল করা হল। সর্বপ্রথম আমি আমার চাচা আব্বাসের সুদ রহিত করলাম।

হে জনতা! তোমাদের নারীদেরকে তোমাদের ওপর কিছু অধিকার দেওয়া হয়েছে। তোমাদেরও তাদের কাছে কিছু অধিকার প্রাপ্য রয়েছে। তোমাদের স্বামীদের শয়নকক্ষে তোমরা ছাড়া আর কাউকে আসতে না দেওয়া তোমাদের কর্তব্য। কোন নির্লজ্জ ও অশ্লীন কাজ করা স্ত্রীদের উচিত নয়।

ওহে লোক সকল! আমি নারীদের সম্পর্কে তোমাদের হুশিয়ার করে দিচ্ছি। তোমরা যখন তাদের উপর নির্মম ব্যবহার কর তখন আল্লাহর শাস্তি সম্পর্কে নির্ভীক হয়ো না। তোমরা অবশ্যই তাদেরকে আল্লাহর জমীনে গ্রহণ করেছ এবং তারই কালেমার মাধ্যমে তাদের সাথে তোমাদের দাম্পত্য সম্পর্ক হয়েছে। জেনে রেখো, নারীদের পুরুষদের অধীন করা হয়েছে। তাদের উপর যেমন তোমাদের অধিকার আছে তেমন তোমাদের উপরও তাদের অধিকার আছে সুতরাং তাদের কল্যাণ সাধনের ব্যাপারে তোমরা আমার উপদেশ গ্রহণ করো।

তোমাদের সাথে আমার সম্পর্কের ব্যাপারে তোমাদের জিজ্ঞাসা করা হবে। তোমরা তখন কি বলবে? সাহাবারা বললেন, আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি আপনার দাওয়াত পৌছে দিয়েছেন। একথা শুনে রাসুলুল্লাহ (সা) শাহাদাত আঙ্গুল আকাশের দিকে তুলে এরপর লোকদের দিকে ঝুঁকিয়ে তিনবার বললেন, ইয়া রাব্বুল আলামীন, তুমি সাক্ষী থেকো।

রাসুলুল্লাহ (সা) -এর বাণীসমুহ রবিয়া ইবনে উমাইয়া ইবনে খালফ উচ্চকন্ঠে মানুষের কাছে পৌছে দিচ্ছিলেন। রাসুলুল্লাহ (সা) ভাষণ শেষ করার পর আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনের এই আয়াত নাযিল করলেন।

আজ আমি তোমাদের জন্যে তোমাদের দ্বীনকে পূর্নাঙ্গ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার অবদান সম্পূর্ণ করে দিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্যে দ্বীন হিসেবে পছন্দ করলাম (সুরা মায়েদাহ-৩)

হযরত উমার (রা) এই আয়াত শুনে কাঁদতে শুরু করেন। তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো, আপনি কাঁদছেন কেন? তিনি বলেন, কাঁদছি এ জন্যে যে, পূর্ণতার পর তো শুধু অপূর্ণতাই বাকী থাকে।


মিনায় অবস্থান কালে ভাষণ

নিশ্চয়ই আবর্তনের পথ ধরে মহাকাল আজ তার সেই প্রারম্ভিক বিন্দুতে প্রত্যাবর্তন করেছে, যেখানে সে আল্লাহ কর্তৃক আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টির দিনে ছিল। অর্থাৎ আল্লাহর কাছে মাস সুনিশ্চিতভাবে বারোটাই। যখন আল্লাহ আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন তখন থেকেই মাসের সংখ্যা এভাবেই লেখা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে চার মাস নিষিদ্ধ। তিনটি মাস ধারাবাহিক- জিলকদ, জিলহজ্জ ও মুহাররম। আর এক্টির অবস্থা একাকী অর্থাৎ রজব মাস, যা জমাদিউস সানী ও শাবানের মাঝখানে অবস্থিত।

রাসুলুল্লাহ (সা) একথাও বললেন যে, এটি কোন মাস? আমরা বললাম, আল্লাহ ও তার রাসুলই ভালো জানেন। রাসুলুল্লাহ (সা) (সা) নীরব থাকলেন। আমরা বুঝলাম যে, রাসুলুল্লাহ (সা) এ মাসের অন্য কোন নাম রাখবেন। কিন্তু রাসুলুল্লাহ (সা) বললেন, এটি কি জিলহজ্জ মাস নয়? আমরা বললাম, কেন নয়?

তিনি বললেন, এটা কোন শহর? আমরা বললাম, আল্লাহ ও তার রাসুলই ভালো জানেন। রাসুলুল্লাহ (সা) (সা) নীরব থাকলেন। আমরা বুঝলাম যে, রাসুলুল্লাহ (সা) এ শহরের অন্য কোন নাম রাখবেন। কিন্তু রাসুলুল্লাহ (সা) বললেন, এটি কি মক্কা শহর নয়? আমরা বললাম, কেন নয়?

রাসুলুল্লাহ (সা) বললেন, এই দিনের পরিচয় কি? আমরা বললাম, আল্লাহ ও তার রাসুলই ভালো জানেন। রাসুলুল্লাহ (সা) নীরব থাকলেন। আমরা বুঝলাম যে, রাসুলুল্লাহ (সা) এই দিনের অন্য কোন নাম রাখবেন। কিন্তু রাসুলুল্লাহ (সা) বললেন, এটি কি ইয়াওমুন নহর অর্থাৎ কোরবানীর দিন নয়? আমরা বললাম, কেন নয়?

আচ্ছা, তবে শোন, তোমাদের রক্ত, তোমাদের অর্থ-সম্পদ এবং তোমাদের ইজ্জত-আবরু পরস্পরের জন্য এরুপ নিষিদ্ধ ও সন্মানীয়, যেমন তোমাদের এ শহর, এ মাস ও আজকের দিন তোমাদের জন্য সন্মানীয়। তোমরা তোমাদের পরওয়ারদিগারের সাথে শীঘ্রই মিলিত হবে এবং তোমাদেরকে তোমাদের আমল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।কাজেই লক্ষ্য রেখ, আমার পরে তোমরা পথভ্রষ্ট হয়ো না।

এমন পথভ্রষ্ট হয়ো না যে, একে অন্যের ঘাড় মটকাতে শুরু করবে। বলো, আমি কি আহবান পৌছিয়েছি? সাহাবারা বললেন, হ্যা।

রাসুলুল্লাহ (সা) বললেন, আল্লাহ তুমি সাক্ষী থেকো। যে ব্যক্তি এখানে উপস্থিত রয়েছে তারা অনুপস্থিতদের কাছে আমার বাণী পৌছিয়ে দিবে। কেননা উপস্থিত অনেকের চেয়ে অনেক অনুপস্থিত ব্যক্তি আমার এ বক্তব্যের অধিক গুরুত্ব দিবে।


(তথ্যসুত্র- আর রাহীকুল মাখতুম: আল্লামা ছফিউর রহমান মোবারকপুরী, মুহসিনে ইনসানীয়াত (মানবতার বন্ধু রাসুলুল্লাহ (সা))-নঈম সিদ্দিকী এবং রাসুলুল্লাহ (সা) বিদায়ী ভাষণ: খন্দকার আবুল খায়ের)

Details in English

Bangla reading problem:

If you can't see the writing go to your browser view option and select encoding Unicode (UTF-8)


Then if you
can't see bangle correctly you just download the vrinda.ttf from this below link
and go to your control panel, open fonts folder and paste the font in it then refresh the page.


be Organized by Holy Islam

O.H.I

Wednesday, December 10, 2008

Store up Qurbani meat

السلام عليكم
দৈনন্দিন পথনির্দেশিকা

কুরবানীর গোস্ত সঞ্চয় করা যায়


Narrated Nubayshah:

The Prophet (peace_be_upon_him) said:

We forbade you to eat their meat for more than three days in order that you might have abundance; now Allah has produced abundance, so you may eat, store up and seek reward. Beware, these days are days of eating, drinking and remembrance of Allah, Most High.

নুবাইশা (রা) থেকে বর্ণিত;

রাসুলুল্লাহ(সা.) বলেছেন-

আমরা তোমাদেরকে কুরবানীর গোশত তিন দিনের বেশী খেতে নিষেধ করেছিলাম; এর উদ্দেশ্য ছিল, গোশত যেন তোমাদের সবার কাছে পৌছে যায়; আল্লাহ এখন প্রশস্ততা দান করেছেন (দারিদ্রের প্রকোপ কমে গেছে); এখন তোমরা তা থেকে খাও, জমা করে রাখো এবং সদাকা করে সাওয়াব অর্জন করো;

জেনে রাখো! আজকের দিনটি পানাহারের দিন এবং মহামহিম স্মরণ করার দিন।

Sunan Abu-Dawud, Book 15:Hadith-2807

জরুরী বিষয়-
৯ই জিলহজ্জ হতে ১৩ই
জিলহজ্জ পর্যন্ত প্রতি ফরজ নামাযের পরে নিম্নোলিখিত দোয়া পড়া ওয়াজিব।

الله أَكْبَر الله أَكْبَر لاإله إلا الله الله أَكْبَر الله أَكْبَر و ِللهِ حَمْد

আল্লাহ মহান আল্লাহ মহান আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই আল্লাহ মহান আল্লাহ মহান এবং প্রশংসা কেবল আল্লাহরই


Bangla reading problem:

If you can't see the writing go to your browser view option and select encoding Unicode (UTF-8)


Then if you
can't see bangle correctly you just download the vrinda.ttf from this below link
and go to your control panel, open fonts folder and paste the font in it then refresh the page.


be Organized by Holy Islam
O.H.I

For More visit: http://ohioftruth.blogspot.com/








Sunday, December 7, 2008

Qurbani


السلام عليكم
দৈনন্দিন পথনির্দেশিকা

কুরবানী


আল্লাহ বলেন,

এবং তাদেরকে আদমের দু'পুত্রের কাহিনী ঠিকমত শুনিয়ে দাও; যখন তারা দু'জনে কুরবানী করল, একজনের কুরবানী কবুল হল, অপরজনের হল না.

এবং আমি প্রত্যেক উন্মাতের জন্যে কুরবানীর এক রীতি-পদ্ধতি নির্ধারণ করে দিয়েছি, যেন তারা ঐসব পশুর উপর আল্লাহর নাম নিতে পারে যেসব আল্লাহ তাদেরকে দান করেছেন

যখন সে (ইসমাঈল) তার সাথে চলাফেরার বয়সে পৌছলো তখন একদিন ইব্রাহীম তাকে বলল, প্রিয়! আমি স্বপ্নে দেখেছি যে, তোমাকে যেন যবেহ করছি; বল দেখি করা যায়?

পুত্র (বিনা দ্বিধায়) বলল, আব্বা! আপনাকে যে আদেশ করা হয়েছে তা শীঘ্র করে ফেলুন; ইনশাল্লাহ আপনি আমাকে অবিচল দেখতে পাবেন;

অবশেষে যখন পিতা পুত্র উভয়ে আল্লাহর কাছে নিজেদেরকে সর্পদ করলেন এবং ইব্রাহীম পুত্রকে উপুর করে শুইয়ে দিলেন (যবেহ করার জন্যে), তখন আমি(আল্লাহ) সন্মোধন করে বললাম, ইব্রাহীম তুমি স্বপ্নকে সত্যে পরিণত করে দেখিয়েছ;

আমি সৎকর্মশীলদের এরুপ প্রতিদানই দিয়ে থাকি; বস্তুত এ এক সুষ্পষ্ট অগ্নি পরীক্ষা;

আর আমরা বিরাট কুরবানী ফিদিয়া স্বরুপ দিয়ে তাকে (ইসমাঈলকে) উদ্ধার করেছি;

আর আমরা ভবিষ্যতের উন্মতের মধ্যে (ইব্রাহীমের) এ সুন্নাত স্মরণীয় করে রাখলাম;

শান্তি ইব্রাহীমের উপর, এভাবে জীবনদানকারীদেরকে আমরা এ ধরণের প্রতিদানই দিয়ে থাকি; নিশ্চিতরুপে সে আমাদের মু'মিন বান্দাদের মধ্যে শামিল

সুরা মায়েদা -২৭ সুরা হজ্জ-৩৪ সুরা আস সাফফাত-১০২-১১১

শাদ্দাহ ইবনে আওস (রা) থেকে বর্ণিত,


তিনি বলেন, দুটি বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আমি রাসুলুল্লাহ(সা.)-র কাছে শুনেছি;


  • ১. আল্লাহ তা'আলা প্রতিটি জিনিসের প্রতি দয়া ও অনুগ্রহ করা বাধ্যতামুলক করেছেন; অতএব যখন তোমরা যবেহ করো সঠিক পন্থায় যবেহ কর (দ্রুত যবেহ কর, কষ্ট দিয়ে যবেহ কর না)
  • ২. যখন তোমরা যবেহ করো, সহানুভূতি সহকারে উত্তমরুপে যবেহ করো; তোমাদের প্রত্যেকে যেন তার ছুরি উত্তমরুপে ধার দিয়ে নেয় এবং যবেহকৃত পশুকে ঠান্ডা হওয়া (রুহ বের হওয়া) পর্যন্ত ছেড়ে দেয় (চামড়া-গোশত ছাড়ানোর চেষ্টা না করে)

For english click here


জরুরী বিষয়-

৯ই জিলহজ্জ হতে ১৩ই
জিলহজ্জ পর্যন্ত প্রতি ফরজ নামাযের পরে নিম্নোলিখিত দোয়া পড়া ওয়াজিব।

الله أَكْبَر الله أَكْبَر لاإله إلا الله الله أَكْبَر الله أَكْبَر و ِللهِ حَمْد

আল্লাহ মহান আল্লাহ মহান আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই আল্লাহ মহান আল্লাহ মহান এবং প্রশংসা কেবল আল্লাহরই



Bangla reading problem:

If you can't see the writing go to your browser view option and select encoding Unicode (UTF-8)


Then if you
can't see bangle correctly you just download the vrinda.ttf from this below link
and go to your control panel, open fonts folder and paste the font in it then refresh the page.


be Organized by Holy Islam
O.H.I

For More visit: http://ohioftruth.blogspot.com/








Eidul Azha


السلام عليكم
ঈদ মোবারক

ঈদুল আযহা


আল্লাহ বলেন


তাদের গোশতও আল্লাহর কাছে পৌছে না, তাদের রক্তও না; কিন্তু তাঁর কাছে পৌছে যায় তোমাদের তাকওয়া.


আর যখন (কুরবানীর পরে) তাদের (পশুর) পিঠ মাটির সাথে লেগে যায় (প্রাণবায়ু পুরোপুরি বের হয়ে যায়) তখন তা থেকে নিজেরাও খাও এবং তাদেরকেও খাওয়াও যারা পরিতুষ্ট হয়ে বসে আছে এবং তাদেরকেও যারা নিজেদের অভাব পেশ করে; এ পশুগুলোকে আমি এভাবেই তোমাদের জন্য বশীভূত করেছি, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর.


বল আমার নামায, আমার কুরবানী, আমার জীবন ও আমার মরণ সবকিছু আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের জন্যে; তার কোন শরীক নেই, আমাকে তারই নির্দেশ দেয়া হয়েছে এবং আমি সকলের আগে তার অনুগত.


সুরা হাজ্জ-৩৭,৩৬;আনআম ১৬২-১৬৩


আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত,


তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ(সা.) বলেছেন-

কোন মানুষ কুরবানীর দিন রক্ত বহানোর চাইতে আল্লাহর কাছে বেশী প্রিয় আর কোন আমলই করতে পারে না; কিয়ামতের দিন যবেহ করা পশু তার শিং, পশম ও খুর নিয়ে হাজির হবে; কুরবানীর রক্ত যমীনে পড়ার আগেই আল্লাহর কাছে তার সওয়াব পৌছে যায়; অতএব তোমরা কুরবানীর মাধ্যমে খুশী ও পবিত্রতা হাসিল কর. [তিরমিযী]

ইবনে আব্বাস ও আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত; রাসুলুল্লাহ(সা.) শয়তানী পদ্ধতিতে যবেহ করতে নিষেধ করেছেন; আবু ঈসা বর্ণিত হাদীসে আরো উল্লেখ আছে "শরীতাতিশ শাইতান" বা শয়তানী পদ্ধতিতে যবেহ হলঃ যবেহ করে ঘাড়ের রগ না কেটে শরীরের চামড়া তুলে পশুকে এই অবস্থায় রেখে দেয়া, ফলে তা মৃত্যুমুখে পতিত হয়.

আবু দাঊদ হাদীস-২৮২৬


For english click here


জরুরী বিষয়-
৯ই জিলহজ্জ হতে ১৩ই
জিলহজ্জ পর্যন্ত প্রতি ফরজ নামাযের পরে নিম্নোলিখিত দোয়া পড়া ওয়াজিব।

الله أَكْبَر الله أَكْبَر لاإله إلا الله الله أَكْبَر الله أَكْبَر و ِللهِ حَمْد

আল্লাহ মহান আল্লাহ মহান আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই আল্লাহ মহান আল্লাহ মহান এবং প্রশংসা কেবল আল্লাহরই



Bangla reading problem:

If you can't see the writing go to your browser view option and select encoding Unicode (UTF-8)


Then if you
can't see bangle correctly you just download the vrinda.ttf from this below link
and go to your control panel, open fonts folder and paste the font in it then refresh the page.


be Organized by Holy Islam
O.H.I

For More visit: http://ohioftruth.blogspot.com/










The Day of Aarafa

السلام عليكم

দৈনন্দিন পথনির্দেশিকা

আরাফার দিন


وَعَنْهَا أنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وسَلَّم ، قَالَ : « ما مِنْ يَوْمٍ أَكثَرَ مِنْ أنْ يعْتِقَ اللَّه فِيهِ عبْداً مِنَ النَّارِ مِنْ يَوْمِ عَرَفَةَ » . رواهُ مسلمٌ .ة

আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,


আরাফাতের দিনের চেয়ে অধিক সংখ্যায় আর কোন দিন আল্লাহ বান্দাহকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন না.

وعَنْهُ أَنَّ رسولَ اللَّهِ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وسَلَّم ، قالَ : « ، والحجُّ المَبرُورُ لَيس لهُ جزَاءٌ إلاَّ الجَنَّةَ » . متفقٌ عليهِ .

আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত,

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মাকবুল (কবুলকৃত) হ্বজ্জের প্রতিদান হচ্ছে একমাত্র জান্নাত

(Riyadus Salehin Hadith-1277 and 1275)

হজ্জ বান্দার উপর আল্লাহর হক;

যারাই বায়তুল্লাহ পর্যন্ত যাবার শক্তি-সামার্থ্য রাখে, তাদের জন্যে আল্লাহর হক আদায় করা ফরজ;

যারা সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও হজ্জ করে না, সেসব যালেম আল্লাহর হক নষ্ট করে (তিরমিযী)

যে ব্যক্তির কাছে হজ্জের খরচের অর্থ মওজুদ আছে,অথচ সে হজ্জ করে না সে ইহুদী বা নাসারা(খিষ্ট্রান) হয়ে মরুক তাতে কিছু যায় আসে না (আবু দাউদ,দারেমী)

আল্লাহর যাত্রী হল তিন ব্যক্তি গাজী, হাজী ও ওমরাকারী.(নাসায়ী)

আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত,

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ(সা.)-এর কাছে এসে জিজ্ঞেস করল,

হে আল্লাহর রাসুল! কোন বস্তু হজ্জকে ফরজ করে?

তিনি উত্তরে বললেন- খাওয়া খরচ ও নিজের সফর খরচ অর্থাৎ পরিবারের ভরন-পোষনের খরচ ও মক্কা পর্যন্ত সফর খরচ



জরুরী বিষয়-
আজ ৯ই জিলহজ্জ হতে ১৩ই জিলহজ্জ পর্যন্ত প্রতি ফরজ নামাযের পরে নিম্নোলিখিত দোয়া পড়া ওয়াজিব

الله أَكْبَر الله أَكْبَر لاإله إلا الله الله أَكْبَر الله أَكْبَر و ِللهِ حَمْد

আল্লাহ মহান আল্লাহ মহান আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই আল্লাহ মহান আল্লাহ মহান এবং প্রশংসা কেবল আল্লাহরই

To know details about Hajj in text click below:

Watch video about How to perform Hajj (in Bangla):


Bangla reading problem:

If you can't see the writing go to your browser view option and select encoding Unicode (UTF-8)

Then if you can't see bangle correctly you just download the vrinda.ttf from this below link

http://files.filefront.com/vrindattf/;9049461;/fileinfo.html

and go to your control panel, open fonts folder and paste the font in it then refresh the page.


be Organized by Holy Islam

O.H.I